Babar Ali Mount Everest: মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন চট্টগ্রামের বাবর আলী, বাংলাদেশে খুশির বন্যা! মৃত্যুপুরী মাউন্ট এভারেস্ট কতটা ভয়াবহ?

  Babar Ali Mount Everest

বাবর আলী বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যক্তি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টে চূড়ায় উঠেছেন! এভারেস্ট, বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ, এখন তার জয়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি এভারেস্টের শিখরে সফল ভাবে আরোহণ করেছেন, তিনি বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো পঞ্চম ব্যক্তির তালিকায় নথিভুক্ত হলেন। এভারেস্টে আরোহণ বেশ ব্যয়বহুল এবং এজন্য মাসের পর মাস শারীরিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়েছে, তবে বাবর আলীর অভিযানের মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ লাখ টাকার মতো। এই অভিযানের জন্য অর্থ সংগ্রহের একটি উপায় ছিল ক্রাউডফান্ডিং, যেখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। বাবর আলীর এই অভিযানে সহায়তা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠন তার সাথে যোগাযোগ করেছে। (Viral Barta)

Babar Ali Mount Everest-er journey-ta kemon chhilo?

বাবর আলী বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যক্তি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টে চূড়ায় উঠেছেন! এভারেস্ট, বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ, এখন তার জয়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি এভারেস্টের শিখরে সফল আরোহণ করেছেন, যা বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো পঞ্চম ব্যক্তি হলেন। এই অভিযানে মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ লাখ টাকার মতো। এই অভিযানের জন্য অর্থ সংগ্রহের একটি উপায় ছিল ক্রাউডফান্ডিং, যেখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। বাবর আলীর এই অভিযানে সহায়তা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠন তার সাথে যোগাযোগ করেছে।

বাবর আলী, যিনি পেশা ডাক্তার, এভারেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশের জনগণকে গর্বিত করেছেন। তিনি হাথাজারি, চট্টগ্রামের বুরিশচর এলাকায় থাকেন। বাবর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৫১তম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে মেডিসিন এবং সার্জারি (এমবিবিএস) পড়েছেন। তিনি একটি সময় পাবলিক হেলথ অফিসার হিসেবে কাজ করেছিলেন, তবে পূর্ববর্তী অভিযানের জন্য ছুটি পেতে সমস্যার সম্মুখীন হন।

বাবর আলীর মাউন্ট এভারেস্ট অভিযান ছিল এক অসাধারণ এবং চ্যালেঞ্জিং যাত্রা। তার এই সাহসিক যাত্রা শুরু হয় ১ এপ্রিল থেকে, এবং তিনি ৪ এপ্রিল কাঠমাণ্ডু থেকে লুকলা পৌঁছান, যা বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক বিমানবন্দরগুলির একটি। এরপর তিনি ১০ এপ্রিল এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছান এবং মধ্যরাতে তার স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেন।

প্রথম দিনেই তিনি সরাসরি ক্যাম্প-২-এ পৌঁছান, যা ২১,৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই রাত সেখানে কাটিয়ে ১৮ মে তিনি ক্যাম্প-৩-এ পৌঁছান, যা ২৪,৫০০ ফুট উচ্চতায় এবং ১৯ মে তিনি ক্যাম্প-৪-এ পৌঁছান। ক্যাম্প-৪ এর উপরের অংশটি, যা ২৬,০০০ ফুট উচ্চতায়, তাকে “ডেথ জোন” বলা হয়।

অবশেষে, ১৮ মে মধ্যরাতে বাবর আলীর যাত্রা আবার শুরু হয়, এবং সকালের প্রথম আলোর সাথে সাথে তিনি মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষে ২৯,০৩১ ফুট উচ্চতায় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দেন। তার এই সাফল্য শুধু তার নিজের জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য গর্বের বিষয়।

এই অভিযানের পরে, বাবর আলীর পরবর্তী লক্ষ্য হল মাউন্ট লোটসে জয় করা, যা বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ পর্বত। তিনি এভারেস্ট থেকে ক্যাম্প-৪-এ নেমে এসে রবিবার এই যাত্রা শুরু করবেন, এবং সব ঠিক থাকলে সোমবার সকালে তিনি লোটসের শীর্ষে পৌঁছাবেন। এখনো পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি পর্বতারোহী লোটসে জয় করেননি, তাই বাবর আলী যদি সফল হন, তিনি একই অভিযানে উভয় শৃঙ্গ জয় করা প্রথম বাংলাদেশি হবেন। তার এই অভিযানে তার দীর্ঘকালীন বন্ধু এবং গাইড বীর বাহাদুর তামাং তার সাথে ছিলেন।

বাবর আলীর এই অভিযান শুধু তার নিজের সাফল্য নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। তার এই সাফল্য বাংলাদেশের পর্বতারোহী সম্প্রদায়ের জন্য অনুপ্রেরণা এবং গর্বের উৎস হয়ে থাকবে।

মন্তব্য করুন